রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
The Report
জলবায়ু পরিবর্তনের গল্প চিত্রায়নে দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ব্রিটিশ কাউন্সিলের অনুদান

জলবায়ু পরিবর্তনের গল্প চিত্রায়নে দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ব্রিটিশ কাউন্সিলের অনুদান

টিএনএন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : July 24, 2022 | বিনোদন

ওয়েলস ওয়ান ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সহযোগিতায় ঢাকা ডকল্যাব আয়োজিত এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অনুদানের অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তনের গল্পের উপর সম্প্রতি একটি অনলাইন কর্মশালা আয়োজিত হয়। সেখানে বাংলাদেশের ২ জন এবং ওয়েলসের ২ জন চলচ্চিত্র নির্মাতাসহ মোট ৪ জন তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতাকে অনুদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়। বাংলাদেশ ও ওয়েলসের তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিক্ষক নীলোৎপল মজুমদার এবং রীতা ব্যানার্জি ও সার্বিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা বরিস মিটিক টিউটর হিসেবে অংশ নেন। চার দিনব্যাপি এই কর্মশালার শেষে, গত ১১ জুন চলচ্চিত্র নির্মাতারা তাদের নির্মিতব্য তথ্যচিত্রের পরিকল্পনা উপস্থাপনা করেন, যার মধ্যে থেকে চার জন চলচ্চিত্র নির্মাতাকে তাদের প্রকল্প সম্পন্ন করতে অনুদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ২২ জুন জুন নির্বাচিত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও তাদের তথ্যচিত্রের নাম ঘোষণা করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি পরিচালক আসমা বীথির ‘ধূপরাঝিরি’ ও শামসুল ইসলাম স্বপনের ‘লতিকা’ এবং ওয়েলসের পরিচালক মেরেড রিসের ‘আওয়ার হোম, দ্য সি’ ও লিলি টনকিনের ‘শি সেলস শেলফিশ’। উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র নির্মাতারা তাদের তথ্যচিত্রগুলো সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা ডকল্যাব এবং ওয়েলস ওয়ান ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা পাবেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনের গল্পের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করবে। এই চারটি তথ্যচিত্র সম্পন্ন হওয়ার পর, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে ‘ওয়েলস ওয়ান ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে’ প্রিমিয়ার করা হবে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের আর্থিক সহায়তায় ঢাকা ডকল্যাব এবং ওয়েলস ওয়ান ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল দ্বারা ক্লাইমেট স্টোরিজ ফিল্ম প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হচ্ছে। ব্রিটিশ কাউন্সিল যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশে সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অনুদান চালু করেছে এবং স্বাধীন শিল্পীদের সৃজনশীল সাধনা চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের অনুদানে এ পর্যন্ত ৪১টি দেশের ৯৪টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।